ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৫০ জন নিহত

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স নেপালের সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে। তবে বার্তা সংস্থা এএফপি বলেছে, কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছে।

পালের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র গোকুল ভান্ডারি এএফপিকে বলেন, কাউকে জীবিত উদ্ধার করার আশা প্রায় শেষ হয়ে গেছে। কারণ উড়োজাহাজটি ভয়াবহভাবে পুড়ে গেছে। কোনো বার্তা সংস্থাই তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি।

নেপালে ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার পর নিহতদের লাশ উদ্ধার করে একটি স্থানে রাখা হয়েছে। তবে এই দুর্ঘটনায় কত জন মারা গেছেন তা কেউ নিশ্চিত করেননি। ছবি: নেপালের ইংরেজি দৈনিক মাই রিপাবলিকার সৌজন্যে।
নেপালে ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার পর নিহতদের লাশ উদ্ধার করে একটি স্থানে রাখা হয়েছে। তবে এই দুর্ঘটনায় কত জন মারা গেছেন তা কেউ নিশ্চিত করেননি। ছবি: নেপালের ইংরেজি দৈনিক মাই রিপাবলিকার সৌজন্যে।
এএফপি জানিয়েছে হতাহতদের উদ্ধারে কাজ চলছে। বিমানের ধ্বংসাবশেষ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উড়োজাহাজে ৩২ জন আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান। উড়োজাহাজটিতে ৬৭ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু ছিলেন।

আজ সোমবার ঢাকা থেকে নেপালের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার একটি উড়োজাহাজ কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত হয়। ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে কাঠমান্ডুর একজন সাংবাদিক প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২২ জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, ৭১ জন আরোহীর মধ্যে ৬৭ জন যাত্রী রয়েছেন। নেপাল সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

আমরা বিদেশে জ্ঞান রফতানি করবো: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘উচ্চ শিক্ষার গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়েছে সরকার। এ জন্য আগের তুলনায় অনেক গবেষণা হচ্ছে, জ্ঞান সমৃদ্ধ হচ্ছে। ফলে খুব দ্রুতই সে জ্ঞান আমরা বিদেশে রফতানি করবো, প্রযুক্তি রফতানি করবো।’

সোমবার (৫ মার্চ) বিকালে রাজধানীর পলাশীতে ব্যানবেইস কার্যালয়ে ‘শিক্ষা খাতে উচ্চতর গবেষণা সহায়তা কর্মসূচি’ বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মানে ডিগ্রি অর্জন নয়, সেখানে গবেষণা করা,নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা প্রয়োজন। আর আমাদের এখন জ্ঞান সমৃদ্ধ হচ্ছে। ফলে খুব দ্রুতই সেই জ্ঞান বিদেশে রফতানি করবো, প্রযুক্তি রফতানি করবো।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা (গবেষকরা) গবেষণা চালিয়ে যান, আমরা পর্যাপ্ত অর্থ দিয়ে যাবো। আমাদের অর্থের সংকট নেই। গবেষণার জন্য বয়স কোনও বিষয় নয়। কেউ যদি ভালো গবেষণা করেন, তবে তাদের চাকরির পরও এ কাজে সুযোগ দেওয়া হবে।’ দেশে উন্নতমানের গবেষক সৃষ্টি করার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
অনুষ্ঠান বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন, ‘শিক্ষা খাতে উচ্চতর গবেষণা সহায়তা কর্মসূচি’র সভাপতি মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ,ব্যানবেইজের পরিচালক মো. ফসিউল্লাহ,মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুলাহ আল হাসান চৌধুরিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।
সূত্র: banglatribune

‘পান থেকে চুন খসলেই সমস্যা ইসলামী ব্যাংকের’

ইসলামী ব্যাংকের পান থেকে চুন খুশলেই সমস্যা বলে জানান ব্যাংকটির চেয়ারম্যান আরাস্তু খান। তবে অন্যান্য ব্যাংকের নানা সমস্যা থাকলেও কোনো কিছুই হয় না। ইসলামী ব্যাংক সততা এবং যোগ্য ম্যানেজমেন্টের শরীয়াহভিত্তিক পরিচালনার কারণে ইসলামী ব্যাংক এগিয়ে যাচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে ফাইন্যান্সিয়াল প্রযুক্তি ব্যহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আজ সোমবার ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। ম্যানেজমেন্টের ১ বছরের কর্মকাণ্ডে ব্যাংকের এখনকার অবস্থান তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি।
আরাস্তু খান বলেন, আমরা সব কিছুকে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। গত ১ বছরে ইসলামী ব্যাংকের ডিপোজিট ও পরিচালন মুনাফায় বড় সাফল্য এসেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকটির আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা। যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৬৭ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকা। সেই হিসাবে ব্যাংক আমানতের পরিমাণ বেড়েছে ৭ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা বা ১০ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

তিনি বলেন, এসময়ে ব্যাংক বিনিয়োগ ১৩ দশমিক ৭০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ১০০ কোটি টাকা। তবে নিট বিনিয়োগ হয়েছে ৬৫ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। এখন ব্যাংকটির ঋণ-আমানত অনুপাত বা এডি রেশিও ৮৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। নন পার্ফমিং লোনের (এনপিএল) হার কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৫৭ শতাংশে। যা গত বছরে ছিল ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের এই বছরে আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ২০ শতাংশ। বিনিয়োগকৃত আয় বেড়েছে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। আমদানিতে ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি, রপ্তানিতে ২৪ হাজার কোটি এবং ২৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছে।

আমাদের রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধির বড় কারণ হলো পলিসিতে পরিবর্তন আনা। ইসলামী ব্যাংক রেমিট্যান্স থেকে অর্থ আয় করতে চায় না। এই জন্য গ্রাহকদের একটি সহনীয় রেট দিতে পেরেছি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা শরীয়াহ সমর্থন করে না এমন কোনো প্রোডাক্টের অনুমতি দেই না। সততা এবং শরীয়াহকে প্রাধান্য দেওয়ার কারণে ইসলামী ব্যাংক আজ এই শক্ত অবস্থানে আসতে পেরেছে।

এসময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ মিয়া এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ইসলামী ব্যাংকে কখনও তারল্য সংকট থাকবে না। আমাদের ঋণ-আমানত অনুপাত বা এডি রেশিও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আমরা এখন বড় খাতের ঋণ কমিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে ঋণের পরিমাণ বাড়াতে চাই। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ম্যানেজমেন্ট কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. জিল্লুর রহমান, পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব-উল-আলমসহ ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

উবার-পাঠাও পাচ্ছে সরকারি বৈধতা

উবার, পাঠাওসহ অ্যাপস ভিত্তিক পরিবহণসেবাকে বৈধতা দিচ্ছে সরকার। বিআরটিএ থেকে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও মোটরযানের তালিকাভূক্তির সনদ নেয়ার বাধ্যবাধকতা রেখে এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রীসভা। এদিকে, এসব পরিবহন সেবায় বাড়তি ভাড়া যাতে গুণতে না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখার তাগিদ দিয়েছেন যাত্রী ও বিশেষজ্ঞরা।

রাজধানীতে গণপরিবহনের ভোগান্তি এড়িয়ে স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছানোটা বরাবরই দূরূহ। এই সংকট যখন ভয়াবহ তখনই চালু হয় বিশ্বখ্যাত অ্যাপসভিত্তিক পরিবহন সেবা উবার। ঝামেলা এড়িয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে যেখানে ভাড়া নিয়ে নেই দর কষাকষি।

ফলে ২০১৭ এর জুনে বাংলাদেশে চালু হওয়া উবার এর পাশাপাশি জনপ্রিয়তা পায় অ্যাপসভিত্তিক দেশীয় কিছু পরিবহন সেবা। এতদিন অবৈধভাবে চলাচল করলেও অবশেষে এসব পরিবহণ নীতিমালার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে সোমবার ‘রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা ২০১৭ এর খসড়ায় অনুমোদন দেয়া হয়।

যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামায় নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এই নীতিমালায় বলা হয়, ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস গাইড লাইন ২০১০ অনুযায়ী ভাড়ার হার নির্ধারণ করতে হবে রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে।

এদিকে, নতুন এই নীতিমালার কারনে এসব সেবার ক্ষেত্রে যাতে বাড়তি ভাড়া গুণতে না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখার কথা বলেছেন যাত্রী, চালক ও বিশেষজ্ঞরা।

নতুন এই নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে অ্যাপসভিত্তিক পরিবহণ সেবা আরো বেশী নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব হবে বলে মনে করছেন তারা।

শিক্ষিত স্বাবলম্বী নারীরাই ডিভোর্সের শীর্ষে

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ছিলেন রোকেয়া ও আফজাল (ছদ্মনাম)। তাদের মধ্যে ছিল প্রেমের সম্পর্কও। স্বপ্ন ছিল বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ভালো সরকারি চাকরি পেয়ে ঘর বাধবেন। বিসিএস-এ রোকেয়ার প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি হয়। কিন্তু আফজালের সেবার ভাগ্য খোলেনি। এরপরও রোকেয়ার উৎসাহে বিয়ে করেন তারা। দুঃসময়ে সঙ্গী ও নিজের সংসারের ভার একাই কাঁধে নেন রোকেয়া। এরপর আবার বিসিএস-এ বসেন আফজাল। পুলিশ ক্যাডারে চাকরিও পান। কিন্তু এবার পুড়ে রোকেয়ার ভাগ্য। তার সঙ্গে আর সংসার করতে চান না আফজাল। দুজনের সম্মতিতেই ইতি ঘটে একটি ভালোবাসার সংসারের। শুধু রোকেয়া আর আফজাল নয়, ভালোবাসার অনেক সংসার এখন মুহূর্তেই ভেঙে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগের চেয়ে কর্মক্ষেত্রে নারীদের কাজ করার হার বৃদ্ধি পাওয়ায় নারীরা সামাজিকতা ও লোকলজ্জার চেয়ে নিজের আত্মসম্মানকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর তাই সংসারে অশান্তি নিয়ে থাকার পরিবর্তে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তই বেশি নিচ্ছেন। জানা গেছে, ঢাকায় গত এক দশকে বিবাহ বিচ্ছেদের হার আশঙ্কাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এক্ষেত্রে বিচ্ছেদের বেশি আবেদন করছেন শিক্ষিত ও সাবলম্বী নারীরা। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দুই এলাকাতেই নারীরা বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পুরুষের চেয়ে বেশি আবেদন করছেন। জরিপের তথ্যে, বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করছেন ৭০ দশমিক ৮৫ ভাগ নারী আর পুরুষের হার মাত্র ২৯ দশমিক ১৫ ভাগ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৬ সালে যেখানে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে বিচ্ছেদের হার ছিল দশমিক ৬ জন। বর্তমানে এই হার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে এক দশমিক এক জন। বিচ্ছেদের আবেদনকারীদের মধ্যে যারা উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছেন তারা হাজারে এক দশমিক ৭ জন বিচ্ছেদের আবেদন করেন। আর অশিক্ষিতদের মধ্যে এই হার হাজারে শূন্য দশমিক ৫।

রাজধানীর গত পাঁচ বছরের বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত শালিসি পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পাঁচ বছরে রাজধানীতে তালাকের মোট আবেদনের ৬৬ দশমিক ১৬ শতাংশ স্ত্রী এবং ৩৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ স্বামীর পক্ষ থেকে করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তথ্যে, চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত তালাকের নোটিস পাওয়া গেছে ১৯৮টি। এর মধ্যে নারীরা দিয়েছেন ১৪২টি নোটিস। উত্তর সিটি করপোরেশনও তাদের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানায়, নারীদের তালাক দেওয়ার হার পুরুষের চেয়ে অনেক বেশি। পেশাগত উন্নয়ন, আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন এবং সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা আগের চেয়ে বেশি সচেতন। নারীরা লোকলজ্জার ভয়ে এখন আর আপস করছেন না। বরং অশান্তি এড়াতে বিচ্ছেদের আবেদন করছেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আইন বিভাগের কর্মকর্তা এস এম মাসুদুল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সামাজিক জটিলতার জন্য সমাজে বিচ্ছেদের ঘটনা এক দশকে তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে সন্তানের মঙ্গল ও হত্যাকাণ্ডের মতো অপরাধ রোধে বিচ্ছেদে যাওয়ার মধ্যে নেতিবাচক কিছু নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা থাকায় একজন নারী এখন তার পরিবারকেও আর্থিক সহায়তা করতে পারছে। পারিবারিক বন্ধনের চেয়ে অনেক নারী নিজের পেশা জীবনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর মনস্তাত্ত্ব্বিক পরিবর্তন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ফলে নারী নিজেই এখন বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

বিসিবির চিন্তা হাথুরু সব জানেন

বিপিএল চলার সময়ই বাংলাদেশ দলের এক সিনিয়র খেলোয়াড় বলছিলেন, ‘সে তো আমাদের ভেতর-বাহির সবই জানে। অন্তত শ্রীলঙ্কা সিরিজটায় তাকে আটকানোর দরকার ছিল।’ এই ‘সে’ হচ্ছেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। বাংলাদেশের সাবেক এই কোচের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট শুরু হচ্ছে জানুয়ারিতে, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই।

আগামী মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ তাই যতটা চ্যালেঞ্জের, বিসিবির কাছে তার চেয়েও বেশি ‘উদ্বেগে’র। গত সাড়ে তিন বছরের অভিজ্ঞতায় যেহেতু বাংলাদেশ দলের আদ্যোপান্ত সবই জানা হাথুরুর, বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান তাই আজ সংবাদমাধ্যমকে বললেন, ‘চ্যালেঞ্জের চেয়ে চিন্তাটাই একটু বেশি। যেহেতু একটা দলের সঙ্গে এত দিন সে ছিল। আমাদের ভালো দিকটা সে যেমন জানত, দুর্বলতাগুলোও জানে। এই জিনিসটা আমাদের জন্য চিন্তার ব্যাপার। এই সিরিজটার পরে আমরা শ্রীলঙ্কায়ও (মার্চে) খেলব। সেটাও আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জের। আমাদের কাছে এটা গুরুতর ব্যাপার।’

হাথুরুকে নিয়ে যেমন বিসিবি চিন্তা করছে, বাংলাদেশ দলকে নিয়ে তেমনি চিন্তায় থাকার কথা হাথুরুরও। সাবেক শিষ্যরা না আবার ‘গুরুমারা বিদ্যা’ ফলিয়ে বসেন!

মির্জা ফখরুল- দল একদম ‘ইউনাইটেড’

দলে কোনো মতপার্থক্য নেই। দল একদম ‘ইউনাইটেড’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। সদর থানা বিএনপির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খালেদা জিয়া দলের চেয়ারপারসন ও তারেক জিয়া দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। তাঁদের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা সব সময় কাজ করি।’

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। রংপুর সিটির ভোট নিয়ে বিএনপির মহাসচিব ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের ভিন্ন সুর খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের দ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা তাঁদের জিজ্ঞাসা করেন। তবে গুঞ্জন আছে—একজন তারেকের লোক, আরেকজন বেগম জিয়ার লোক।’

ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এর উত্তরটা ওবায়দুল কাদের সাহেবের কাছেই চান, উনি যখন জানেন, উত্তর ওনার দেওয়া উচিত। আমাদের দল একদম ইউনাইটেড।’

রংপুর সিটি নির্বাচন সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রংপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন দিয়ে তো আর জাতীয় নির্বাচনের পরীক্ষা বলা যাবে না। তার মূল্যায়নও করা যাবে না। রংপুর বরাবরই আমাদের জন্য সাংগঠনিকভাবে মোটামুটিভাবে একটা দুর্বল জায়গা। কিন্তু প্রমাণিত হয়েছে, আমাদের ভোট আগের চেয়ে বেড়েছে। প্রমাণিত হয়েছে, আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। জনগণ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে মুখ সরিয়ে নিয়েছে। রংপুরের নির্বাচন জাতীয় পর্যায়ে প্রভাব ফেলবে। কারণ, যেখানে আওয়ামী লীগের থেকে জাতীয় পার্টির ভোটের ব্যবধান প্রায় এক লাখ।’

গুম প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, জোর করে তুলে নিয়ে নিখোঁজ করা হয়, হিউম্যানিটির (মানবাধিকার) বিরুদ্ধে একটা অপরাধ। গত কয়েক মাসে আপনারা দেখেছেন মানবাধিকার সংস্থাগুলো তথ্য দিয়েছে ৩ মাসে ১৫১ জন গুম হয়েছে।

এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, আনসারুল হক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পয়গাম আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ, মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার, জেলা যুবদলের সভাপতি চৌধুরী মহেবুল্লাহ আবু নুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এবার দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছুঁলেন, রোহিত শর্মা

রোহিত শর্মার ব্যাট থেকে যেন আগুন ছুটছে! কদিন আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে পেয়েছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি। এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ছুঁলেন দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। ভারতীয় ওপেনার তিন অঙ্কের দেখা পেয়েছেন মাত্র ৩৫ বলে! গত অক্টোবরে বাংলাদেশের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছিলেন ডেভিড মিলার। সেটাও ৩৫ বলে।

ইন্দোরে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নিশ্চয়ই ভীষণ অনুশোচনা হচ্ছে লঙ্কান অধিনায়ক থিসারা পেরেরার। রোহিত যে তাঁর বোলারদের স্রেফ কচুকাটা করেছেন ইনিংসের শুরু থেকেই। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের করা প্রথম ওভারে দুটি বাউন্ডারি পাওয়ার পর ভারতের অধিনায়ককে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এতটাই মারমুখী ছিলেন যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছুঁয়েছেন ১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে, সেটাও আবার বাউন্ডারি মেরে!
তাঁর ৪৩ বলে ১১৮ রানের ইনিংসে ছিল ১২টি বাউন্ডারি আর ১০ ছক্কার মার। এর মধ্যে নবম ওভারে গুণারত্নের কাছ থেকে নিয়েছেন ২০ রান এবং ১১তম ওভারে পেরেরাকে মেরেছেন চার ছক্কা! এর মধ্যে শেষ তিন বলে তিনটি! চামেরার করা ১৩তম ওভারে আউট হওয়ার আগে প্রথম তিন বলে দুই ছক্কা আর এক বাউন্ডারিতে নিয়েছেন ১৬ রান। এতে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের হয়ে ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ডটা নিজেদের অধিকারে নিয়ে নিয়েছেন রোহিত-লোকেশ রাহুল। ভারতের স্কোর তখন বিনা উইকেটে ১৬৫। অবশ্য পরের বলেই ধনঞ্জয়াকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান রোহিত। ফেরার আগে ব্যাট হাতে যেভাবে ‘অগ্নিশর্মা’ হয়েছিলেন, তাতে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিও পেতে পারতেন!

বাংলাদেশের চার ক্রিকেটার অল্পের জন্য ধরা খাননি

উগান্ডায় টি-টোয়েন্টি লিগ খেলতে গিয়ে কী বিপাকেই না পড়েছেন পাকিস্তানের ২০ ক্রিকেটার। উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় আটকা পড়ে সাঈদ আজমল, ইয়াসির হামিদ, ইমরান ফরহাতের মতো ক্রিকেটারদের এখন দেশে ফেরাই দায়! একই বিপদে পড়তে পারতেন বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটারও। কিন্তু অল্পের জন্য ধরা খাননি তাঁরা।

উগান্ডা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আফ্রো টি-টোয়েন্টি লিগ খেলতে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। সেখানে পৌঁছে শোনেন, আর্থিক সমস্যায় পুরো লিগই বাতিল করে দিয়েছে আয়োজকেরা। দেশটিতে দুদিন অলস সময় কাটিয়ে নিজেদের পাওনা ৫০ শতাংশ টাকা দাবি করেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। জবাবে তাঁরা যা শুনলেন, তাতে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা! টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান পিছু হটায় পাওনা টাকা তো পাওয়া যাবেই না, দেশে ফেরা নিয়েও জেগেছে সংশয়। খেলোয়াড়দের ফেরার টিকিট বাতিল করা হয়েছে, ট্রাভেল এজেন্সিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
একই বিপাকে পড়তে পারতেন শাহাদাত হোসেন, এনামুল হক জুনিয়র, নাজমুল হোসেন মিলন, সৈকত আলীদের মতো বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও। তাঁরাও যেতে চেয়েছিলেন উগান্ডার এই লিগ খেলতে। বিসিবি অনাপত্তিপত্র (এনওসি) না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত যাওয়া হয়নি। আজ সন্ধ্যায় সেই লিগ নিয়ে শাহাদাত বললেন, ‘ওখানে টাকাপয়সা খারাপ ছিল না। টাকা দিলে না খেলার কী আছে? আমাদের কাছে প্রস্তাবটা আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল। বসে ছিলাম। ভাবলাম বাইরে সুযোগ যখন এল, যাই খেলে আসি। কিন্তু বিসিবি অনুমতি দেয়নি।’
পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ভোগান্তির বিষয়টি প্রতিবেদকের কাছ থেকে শুনে রীতিমতো আঁতকে উঠলেন শাহাদাত, ‘এই ঘটনা! বিসিবি আমাদের বলছিল অনুমতি দেওয়া হবে না। তারপরও যদি সেখানে যাও পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে। বিসিবি তো জানে কোনটা বৈধ আর কোনটা অবৈধ। এখন সব দেশই চায় টি-টোয়েন্টি লিগ করতে। যাওয়ার অনুমতি পাইনি, অনেক ভালো হয়েছে।’
খেলোয়াড়েরা অনুমতি চাইতে গেলে আইসিসিতে যোগাযোগ করে বিসিবি। উগান্ডার লিগ নিয়ে আইসিসির কাছ থেকে নেতিবাচক বার্তা পাওয়ায় বিসিবি অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের। লিগ খেলতে না পারায় স্বাভাবিকভাবেই খারাপ লাগার কথা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটা শাপে বর হওয়ায় খুশি এনামুল জুনিয়র, ‘বিসিবি আমাদের জানিয়েছিল, এটা অবৈধ লিগ। পরে দেখলাম না গিয়ে ভালোই হয়েছে। ওদের পেমেন্ট ইস্যু নিয়ে ঝামেলা আছে। আইসিসিও নাকি বিসিবিকে জানিয়েছে, সেখানে যাওয়া ঠিক হবে না। এ কারণে আর যাওয়া হয়নি।’

সাধারণ ভ্রমণকারীদের জন্য ভিভিআইপি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে

বাংলাদেশ বিমানের যাত্রী সেবার মান বাড়ছে তড়িৎ গতিতে। এক সময় বিলম্ব যাত্রাকে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করেছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। কিন্তু, এখন প্রায় প্রতিটি যাত্রা একেবারে নির্দিষ্ট সময়ে করার অদম্য চেষ্টা সফলতার মুখ দেখছে প্রতিদিন। আভ্যন্তরিন যাত্রীদের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেবার প্রতি আকৃষ্ট করতে নেওয়া হচ্ছে নানা অভিনব উদ্যোগ। যেমন মাত্র কিছু দিন আগেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঘোষণা করে আভ্যন্তরীণ ২ টি রুটে মাত্র ১৫০০ টাকায় বিমান ভ্রমণের অফার। এই অফার শেষ হতে না হতেই আভ্যন্তরীণ আর আন্তর্জাতিক মিলিয়ে মোট পাঁচটি রুটে বিমান ঘোষণা করে তারা দেয় আরেকটি অবিশ্বাস্য অফার। এই অফারটি এখনো চলমান।

এই সকল অফার ঘোষণার পাশাপাশি যাত্রী সেবার মান বাড়াতে বদ্ধ পরিকর বিমান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেল আরও একটি বিশেষ সুবিধার খবর। আর তা হলো বিমানের আভ্যন্তরীণ রুটের যাত্রীরা এখন থেকে ভিভিআইপি রাস্তা ব্যাবহার করতে পারবেন। ঢাকার শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে আভ্যন্তরীণ আর আন্তর্জাতিক প্রায় সব রুট মিলিয়ে যে প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয় তা সামলানো বেশ কঠিন। আর তাই বিমান বন্দরে যানজট লেগেই থাকে। বিমানবন্দরের এই যানজট যাত্রীদের জন্য একটা বড় ভোগান্তির কারণ।
যাত্রীদের যানজটের ভোগান্তি কমাতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয় এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে। তাই আভ্যন্তরিন বা ডোমেস্টিক যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে ভিভিআইপি রাস্তা। এখন থেকে আভ্যন্তরিন যাত্রীদের জন্য সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই রাস্তাটি। পাশাপাশি যানজট এড়িয়ে নির্বিঘ্নে আভ্যন্তরীণ টার্মিনালে প্রবেশ বা বের হওয়ার জন্য আভ্যন্তরিন বা ডোমেস্টিক যাত্রীদের এই ভিভিআইপি রাস্তা ব্যবহার করার অনুরোধ করা হয়েছে এই বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে।
এখনো প্রেস বিজ্ঞপ্তি আকারে না এলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খবরটি নিশ্চিত করেছে তারা। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়নের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক সাথে প্রকাশ করা হয় বিজ্ঞপ্তিটি। বিশেষ দ্রষ্টব্য: আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য এই প্রবেশপথ উন্মুক্ত নয়।